
ভোলার মনপুরায় গলায় ফাঁস দিয়ে তানিয়া আক্তার (১৪) নামের এক স্কুল শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দাফন করা হয়েছে । তবে আত্মহত্যার কোনো কারণ জানাতে পারেনি পরিবারের লোকজন।তবে এটি কি আত্মহত্যা নাকি অন্যকিছু এই নিয়ে এলাকায় চলছে চাঞ্চল্য । তবে তানিয়ার পাঠ্য বই খাতায় প্রেম সংঘটিত অনেক ধরনের লেখা পাওয়া গেছে ।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাতে দক্ষিণ সাকুচিয়া ২ নং ওয়ার্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত তানিয়া আক্তার ওই এলাকার ইউসুফ রাড়ীর মেয়ে। সে স্থানীয় সাকুচিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল স্কুল থেকে আসার পর থেকে তানিয়ার মন খারাপ ছিলো।দীর্ঘ সময় ঘুমিয়ে থেকে বিকাল বেলা রাস্তা এবং বাসায় সময় কাটিয়ে রাতে ঘরে অবস্থান করেন ।তানিয়ার বাবা নদীতে মাছ শিকারে গিয়েছেন এবং তার ভাই কে নিয়ে ঘুমিয়ে পরেছিলেন তার মা ।তানিয়া পড়ার টেবিলে বসে ছিলেন । দীর্ঘসময় পর সাড়া না পেয়ে তার মা খোজাঁখুজি করেন । খোজাঁখুজির এক পর্যায়ে ঘরের পিছনে গিয়ে দেখতে পান গাছের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে সে।
এ অবস্থায় আর্তচিৎকারে এলাকাবাসী জড়ো হলে ঝুলন্ত অবস্থায় থেকে তাকে বাঁচানোর জন্য নিচে নামিয়ে ফেলে। ততক্ষণে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে লাশের সুর হত হাল প্রতিবেদন সংগ্রহ করেন।
সাকুচিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন বলেন, আমার বিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী ছিলেন তানিয়া। তবে তার এমন মৃত্যুতে আমরা শোকাহত ।
মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসান কবির জানান, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। ঘটনা সত্যতা পেয়েছি। কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন