ঢাকা ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপদেষ্টা: সরকারের আকার বাড়লেই কি বাড়ে সক্ষমতা? Logo নিউইয়র্কে নোয়াখালীর যুবককে গুলি করে হত্যা Logo ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯ Logo সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo তজুমদ্দিনে ৪১টি চান্দিনা ভিটা বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন। Logo তেঁতুলিয়ায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo ইসকনের নামে অনুদান, জমির মালিকানা নিয়ে নতুন বিতর্ক অর্থ ও জমি জালিয়াতির অভিযোগ Logo দক্ষিণ আইচা কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নির্বাচন: সভাপতি ফরিদ, সম্পাদক সাইফুল Logo রূপগঞ্জে জামদানি শাড়ির নকশা বৈচিত্র ও রং বিন্যাস বিষয়ক কর্মশালা Logo স্থানীয় সরকারে ড. মঈন খান: সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো

নানিবাড়ির মানুষের কাছে ‘ভোট উপহার’ চাইলেন তারেক রহমান

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৩২৯

দীর্ঘ ২০ বছর পর দিনাজপুরে নানিবাড়ি এসে আবেগতাড়িত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নির্বাচনি প্রচারণায় এসে নানি-নাতির সম্পর্কের চিরন্তন ভালোবাসার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নানিবাড়িতে নাতি এলে তাকে খালি হাতে ফেরানো হয় না। তাই আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে সবার কাছে ধানের শীষে ভোট ‘উপহার’ চান তিনি।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় দিকে দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক রহমান। জনসভায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

বক্তব্যের শুরুতেই আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তারেক রহমান বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে বহু বছর পর আমি আমার নানিবাড়িতে এসেছি। নানিবাড়িতে এলে নাতিকে যেমন ভালোবাসা ও আপ্যায়ন করা হয়, ঠিক তেমনই ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ থেকেই আজ আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।

ভোটারদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, দিনাজপুর তার নানীর বাড়ি এবং এই এলাকার মানুষের সঙ্গে তার আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, নানিবাড়ির মানুষদের কাছে আমি ভোট চাই। আপনারা আমাকে খালি হাতে ফেরাবেন না।

দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী কৃষিপণ্য কাটারী ভোগ চাল ও লিচুকে বিশ্ববাজারে পরিচিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, দিনাজপুর শুধু দেশের খাদ্যভাণ্ডার নয়, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের কৃষিশক্তির অন্যতম প্রতিনিধি হওয়ার পূর্ণ সক্ষমতা রাখে।

দিনাজপুরের কৃষিসম্পদের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এখানকার মাটি অত্যন্ত উর্বর এবং মানুষ পরিশ্রমী। কাটারী ভোগ চালের সুগন্ধ ও স্বাদ যেমন অতুলনীয়, তেমনি দিনাজপুরের লিচু দেশের অন্যতম সেরা ফল।এই অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য কৃষির সঙ্গে শিল্পায়নের সমন্বয় জরুরি।

দিনাজপুরের বিশ্বখ্যাত লিচু ও কাঠারিভোগ চালের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দিনাজপুরের লিচু শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বজুড়ে পরিচিত। অথচ আজও আমরা লিচু প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে রপ্তানি করতে পারিনি। বিএনপি ক্ষমতায় এলে দিনাজপুরে আধুনিক হিমাগার ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি। এতে লিচু সংরক্ষণ ও রপ্তানি সহজ হবে এবং কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবে। একইভাবে কাঠারিভোগ চাল রপ্তানির জন্য প্রয়োজনীয় শিল্পকারখানা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

তারেক রহমান জানান, দিনাজপুর অঞ্চলে আধুনিক কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র, সংরক্ষণাগার ও রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানা স্থাপন করা হবে। এর ফলে কৃষিপণ্যের অপচয় কমবে এবং আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পণ্য রপ্তানি সহজ হবে। তিনি দিনাজপুরকে একটি আধুনিক কৃষিভিত্তিক শিল্প অঞ্চলে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।

কৃষকদের ভাগ্যোন্নয়ন প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, নারীদের পাশাপাশি কৃষক ভাইদেরও আমরা স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলবো। প্রত্যেক কৃষককে আমরা একটি করে কার্ড দেবো। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সহজে ঋণ ও সরকারি সারসহ অন্যান্য সুবিধা পাবেন। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ জয়যুক্ত হলে আমরা সব কৃষকের ১০ হাজার টাকা মূল্যের কৃষি ঋণ মওকুফ করবো। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষের ক্ষুদ্র ঋণও সরকারের পক্ষ থেকে শোধ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে তারা পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।

গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে প্রকৃত ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকের নিরাপত্তা ও স্বাধীন চলাচল নিশ্চিত করাই বিএনপির অঙ্গীকার বলে জানান তিনি।

এছাড়া তিস্তা মহাপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার গঠনের সুযোগ পেলে পানির সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা হবে এবং তিস্তা অববাহিকার মানুষকে মরুকরণের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা হবে। কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।শেষে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি গণতান্ত্রিক, কৃষিবান্ধব ও উন্নয়নমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। দিনাজপুরের বিএনপি প্রার্থীদের ধানের শীষ প্রতীক হাতে তুলে দিয়ে উপস্থিত জনতার কাছে তাদেরকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।

সমাবেশে জেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর-৬ আসনের প্রার্থী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ জেলা ও উপজেলার বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বিএনপির চেয়ারম্যান নীলফামারীর জনসভা শেষ করে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে দিনাজপুরের বিরামপুরে পৌঁছান।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর দিনাজপুরে এলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার আগমনে নেতা-কর্মীদের মাঝে উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। শনিবার সকাল ১১টার পর থেকে সভাস্থলে মানুষ আসতে শুরু করে। পরে কানায় কানায় সমাবেশ স্থল মাঠ পূর্ণ হয়ে যায়। এর আগে ২০০৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর দিনাজপুরে খানসামায় জিয়া সেতুর উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে এসেছিলেন তারেক রহমান।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:১৯ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৪৫ বার পড়া হয়েছে
Logo
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

নানিবাড়ির মানুষের কাছে ‘ভোট উপহার’ চাইলেন তারেক রহমান

আপডেট সময় : ১১:৪৯:১৯ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৩২৯

দীর্ঘ ২০ বছর পর দিনাজপুরে নানিবাড়ি এসে আবেগতাড়িত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নির্বাচনি প্রচারণায় এসে নানি-নাতির সম্পর্কের চিরন্তন ভালোবাসার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নানিবাড়িতে নাতি এলে তাকে খালি হাতে ফেরানো হয় না। তাই আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে সবার কাছে ধানের শীষে ভোট ‘উপহার’ চান তিনি।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় দিকে দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক রহমান। জনসভায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

বক্তব্যের শুরুতেই আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তারেক রহমান বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে বহু বছর পর আমি আমার নানিবাড়িতে এসেছি। নানিবাড়িতে এলে নাতিকে যেমন ভালোবাসা ও আপ্যায়ন করা হয়, ঠিক তেমনই ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ থেকেই আজ আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।

ভোটারদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, দিনাজপুর তার নানীর বাড়ি এবং এই এলাকার মানুষের সঙ্গে তার আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, নানিবাড়ির মানুষদের কাছে আমি ভোট চাই। আপনারা আমাকে খালি হাতে ফেরাবেন না।

দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী কৃষিপণ্য কাটারী ভোগ চাল ও লিচুকে বিশ্ববাজারে পরিচিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, দিনাজপুর শুধু দেশের খাদ্যভাণ্ডার নয়, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের কৃষিশক্তির অন্যতম প্রতিনিধি হওয়ার পূর্ণ সক্ষমতা রাখে।

দিনাজপুরের কৃষিসম্পদের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এখানকার মাটি অত্যন্ত উর্বর এবং মানুষ পরিশ্রমী। কাটারী ভোগ চালের সুগন্ধ ও স্বাদ যেমন অতুলনীয়, তেমনি দিনাজপুরের লিচু দেশের অন্যতম সেরা ফল।এই অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য কৃষির সঙ্গে শিল্পায়নের সমন্বয় জরুরি।

দিনাজপুরের বিশ্বখ্যাত লিচু ও কাঠারিভোগ চালের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দিনাজপুরের লিচু শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বজুড়ে পরিচিত। অথচ আজও আমরা লিচু প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে রপ্তানি করতে পারিনি। বিএনপি ক্ষমতায় এলে দিনাজপুরে আধুনিক হিমাগার ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি। এতে লিচু সংরক্ষণ ও রপ্তানি সহজ হবে এবং কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবে। একইভাবে কাঠারিভোগ চাল রপ্তানির জন্য প্রয়োজনীয় শিল্পকারখানা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

তারেক রহমান জানান, দিনাজপুর অঞ্চলে আধুনিক কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র, সংরক্ষণাগার ও রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানা স্থাপন করা হবে। এর ফলে কৃষিপণ্যের অপচয় কমবে এবং আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পণ্য রপ্তানি সহজ হবে। তিনি দিনাজপুরকে একটি আধুনিক কৃষিভিত্তিক শিল্প অঞ্চলে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।

কৃষকদের ভাগ্যোন্নয়ন প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, নারীদের পাশাপাশি কৃষক ভাইদেরও আমরা স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলবো। প্রত্যেক কৃষককে আমরা একটি করে কার্ড দেবো। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সহজে ঋণ ও সরকারি সারসহ অন্যান্য সুবিধা পাবেন। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ জয়যুক্ত হলে আমরা সব কৃষকের ১০ হাজার টাকা মূল্যের কৃষি ঋণ মওকুফ করবো। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষের ক্ষুদ্র ঋণও সরকারের পক্ষ থেকে শোধ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে তারা পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।

গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে প্রকৃত ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকের নিরাপত্তা ও স্বাধীন চলাচল নিশ্চিত করাই বিএনপির অঙ্গীকার বলে জানান তিনি।

এছাড়া তিস্তা মহাপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার গঠনের সুযোগ পেলে পানির সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা হবে এবং তিস্তা অববাহিকার মানুষকে মরুকরণের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা হবে। কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।শেষে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি গণতান্ত্রিক, কৃষিবান্ধব ও উন্নয়নমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। দিনাজপুরের বিএনপি প্রার্থীদের ধানের শীষ প্রতীক হাতে তুলে দিয়ে উপস্থিত জনতার কাছে তাদেরকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।

সমাবেশে জেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর-৬ আসনের প্রার্থী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ জেলা ও উপজেলার বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বিএনপির চেয়ারম্যান নীলফামারীর জনসভা শেষ করে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে দিনাজপুরের বিরামপুরে পৌঁছান।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর দিনাজপুরে এলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার আগমনে নেতা-কর্মীদের মাঝে উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। শনিবার সকাল ১১টার পর থেকে সভাস্থলে মানুষ আসতে শুরু করে। পরে কানায় কানায় সমাবেশ স্থল মাঠ পূর্ণ হয়ে যায়। এর আগে ২০০৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর দিনাজপুরে খানসামায় জিয়া সেতুর উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে এসেছিলেন তারেক রহমান।

Facebook Comments Box