
রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় চ্যানেল এস টিভির প্রতিনিধি মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর “তালাশ বিডি” নামের একটি অনলাইন পোর্টালে এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।
প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, মঞ্জুরুল ইসলাম লংগদুর মাইনীমুখ বাজারের আলম ফুড বেকারির মালিক রাশেদুলের কাছে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, গত ১ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি আলম ফুড বেকারিতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন—অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার উৎপাদন ও বিক্রি করা হচ্ছে। বিষয়টি সংবাদ আকারে প্রচার করতে চাইলে তাকে নানা রকম হুমকি ও বাধার মুখে পড়তে হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, “বেকারির মালিক রাশেদুল নিজে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে তালাশ বিডি অনলাইনের মাধ্যমে চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলা হয়েছে। অথচ আমার সঙ্গে কোনো আর্থিক লেনদেন বা এমন আলাপের প্রমাণ নেই।”
মঞ্জুরুল ইসলাম আরও বলেন, “সংবাদে লেখা হয়েছে আমাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। কিন্তু কোনো সাংবাদিকই আমাকে ফোন করেননি। একই অভিযোগ লংগদু উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএস মামুনও করেছেন—তাকেও নাকি কল দেওয়া হয়েছে, অথচ বাস্তবে তা হয়নি।”
তিনি জানান, আলম বেকারির মালিকের সাক্ষাৎকারগুলোতে কোথাও তার সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ইঙ্গিত নেই। “এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া সংবাদ,” দাবি করেন তিনি।
এছাড়া মঞ্জুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, “কিছুদিন আগে রাঙামাটি জেলার ইনকিলাব পত্রিকার প্রতিনিধি শাহ আলম আমাকে লংগদু প্রতিনিধি বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে নগদ টাকা নেন। পরে তিনি প্রতারণার মাধ্যমে অন্য একজনকে প্রতিনিধি বানান। বিষয়টি প্রকাশ হলে ইনকিলাব কর্তৃপক্ষ তাকে বহিষ্কার করে। সেই রেশ ধরেই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে।”
এদিকে তার বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ আনা হয়েছে যে, তিনি মাইনীমুখ মডেল হাইস্কুলের শিক্ষক জামান মাস্টারকে টাকা নেওয়ার জন্য পাঠিয়েছিলেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “এসব আমার জানা নেই। আমার নাম ব্যবহার করে কেউ যদি অর্থ লেনদেন করে, তার দায়ভার আমি নেব কেন?”
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন