ঢাকা ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo লক্ষ্মীপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সরকারি কবরস্থান দখলের অভিযোগ Logo ঝাড়ফুঁকের কথা বলে শিশুকে ধর্ষণ, জামায়াতের সাবেক নেতা গ্রেপ্তার Logo আ.লীগ নেতার বাড়িতে ভূরিভোজ, ওসি প্রত্যাহার Logo ভোলার ধনিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলাল হোসেনের নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo মনপুরায় মসজিদের ভিতর এক শিক্ষককে মারধর ও রক্তাক্ত করার অভিযোগ শিক্ষক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয়দের নিন্দা Logo ভূরুঙ্গামারীতে প্রতিবন্ধী স্কুল নিয়ে নানা অভিযোগ Logo দৌলতখানে স্কুল কমিটির সভাপতি হতে না পেরে শিক্ষককে মারধর, থানায় লিখিত অভিযোগ Logo পাওনা টাকা চাওয়ায় দোকানে হামলা-ভাঙচুর, ব্যবসায়ী গুরুতর আহত Logo চেয়ারম্যান হলে গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’, যুবদল নেতার নামে পোস্টারিং Logo নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট, থানায় জিডি

লালমোহন ধলিগৌরনগর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেকমো কোহিনুরের বেসামাল অর্থ বানিজ্য

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২২০

আরশাদ মামুন।
লালমোহন ধলিগৌরনগর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেকমো কোহিনুর বেগমের বিরুদ্ধে সেবা প্রদানের নামে রোগীর নিকট থেকে অর্থ আদায় ও দাবীকৃত অর্থ প্রদানে ব্যর্থ হলে চরম অশোভন আচরনসহ সেবা দিতে তালবাহানাসহ বিস্তর অনিয়মের অভিযোগ মিলেছে। এমনকি ডেলিভারি প্রতি কমপক্ষে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ নিজেই স্বীকার করেন জেলা সিভিল সার্জনের নিকট। সরকারি চাকুরী বিধিমালা কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রোগীর নিকট থেকে অর্থ আদায়ের দায় স্বীকার করলেও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএস কর্তৃক কেবল মাত্র কারন দর্শানোর নোটিশ দিয়েই জেনো দায়সারা কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগ, নোটিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ধলিগৌরনগর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বে থাকা সেকমো কোহিনুর বেগম এখানে যোগদানের পর থেকেই অনিয়মকে নিয়মে পরিনতে সিদ্ধ হস্ত। তার দাবীকৃত অর্থ না দিলে কোন প্রকার সেবা পাওয়া দু:সপ্নের ন্যায় ধরা দেয় রোগীদের নিকট। ঘুষ বানিজ্য বেপরোয়া সেকমো কোহিনুর প্রতি ডেলিভারিতে কমপক্ষে ৫/৬ হাজার টাকা আদায় করেন। সরকারি চাকুরী বিধিমালা ভঙ্গ করে এমন অর্থ আদায়ের কথা জেলা সিভিল সার্জনের নিকট স্বীকার করেন অকপটে। যার প্রেক্ষিতে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে গত ১৩ ফেব্রুয়ারী নাম মাত্র একটি কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। এরপর কার্যত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে সূত্র জানায়। নোটিশ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে সেকমো কোহিনুর বলেন, আমি যা করেছ উর্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশেই করেছি বলে আর কোন কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এদিকে সেকমো কোহিনুর বেগমের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগের পরও কোন প্রকার ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভুক্তভোগীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১১:০২:৩০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৫ মার্চ ২০২৩ ১৩৫ বার পড়া হয়েছে
Logo
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

লালমোহন ধলিগৌরনগর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেকমো কোহিনুরের বেসামাল অর্থ বানিজ্য

আপডেট সময় : ১১:০২:৩০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৫ মার্চ ২০২৩
২২০

আরশাদ মামুন।
লালমোহন ধলিগৌরনগর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেকমো কোহিনুর বেগমের বিরুদ্ধে সেবা প্রদানের নামে রোগীর নিকট থেকে অর্থ আদায় ও দাবীকৃত অর্থ প্রদানে ব্যর্থ হলে চরম অশোভন আচরনসহ সেবা দিতে তালবাহানাসহ বিস্তর অনিয়মের অভিযোগ মিলেছে। এমনকি ডেলিভারি প্রতি কমপক্ষে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ নিজেই স্বীকার করেন জেলা সিভিল সার্জনের নিকট। সরকারি চাকুরী বিধিমালা কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রোগীর নিকট থেকে অর্থ আদায়ের দায় স্বীকার করলেও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএস কর্তৃক কেবল মাত্র কারন দর্শানোর নোটিশ দিয়েই জেনো দায়সারা কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগ, নোটিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ধলিগৌরনগর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বে থাকা সেকমো কোহিনুর বেগম এখানে যোগদানের পর থেকেই অনিয়মকে নিয়মে পরিনতে সিদ্ধ হস্ত। তার দাবীকৃত অর্থ না দিলে কোন প্রকার সেবা পাওয়া দু:সপ্নের ন্যায় ধরা দেয় রোগীদের নিকট। ঘুষ বানিজ্য বেপরোয়া সেকমো কোহিনুর প্রতি ডেলিভারিতে কমপক্ষে ৫/৬ হাজার টাকা আদায় করেন। সরকারি চাকুরী বিধিমালা ভঙ্গ করে এমন অর্থ আদায়ের কথা জেলা সিভিল সার্জনের নিকট স্বীকার করেন অকপটে। যার প্রেক্ষিতে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে গত ১৩ ফেব্রুয়ারী নাম মাত্র একটি কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। এরপর কার্যত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে সূত্র জানায়। নোটিশ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে সেকমো কোহিনুর বলেন, আমি যা করেছ উর্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশেই করেছি বলে আর কোন কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এদিকে সেকমো কোহিনুর বেগমের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগের পরও কোন প্রকার ব্যবস্থা না নেওয়ায় ভুক্তভোগীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

Facebook Comments Box