
মনপুরা সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স মাহফুজা আক্তার কলির বিরুদ্ধে, কর্তব্য রত না থেকে ও জোর পুর্বক হাসপাতালে সরকারী ফ্লাট দখল করে থাকার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
মাহফুজা আক্তার কলি সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে মবপুরা সদর হাসপাতালে যোগদানের পরের উচ্চতর শিক্ষা(বিএসসি) গ্রহনের জন্য ২ বসরের জন্য ঢাকায় অবস্থান করেন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারীতে তার শিক্ষানবিশ কোর্সটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু তিনি দুই বছর যাবত কর্তব্যরত না থেকেও মনপুরা সদর হাসপাতালের সরকারি প্রথম সারীর ফ্ল্যাটটি দখল করে আছেন। সরকারী চাকুরী বিধিতে নার্স কর্তব্যরত স্থানে না থাকলে তার পরিবার এক বসরের জন্য আবাসিক ভবনে থাকার অনুমতি প্রাপ্ত হন।কিন্তু সরকারি নিয়ম তোয়াক্কা বা করে তিনি দুই বসর ধরে এই আবাসিক ভবন দখল করে আছেন। অনুসন্ধানে জানা যায় তিনি মনপুরা উপজেলা অফসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের মনপুরা উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন। এতে করে হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসকের সাথে ভালো সখ্যতায় তিনি সুযোগ টি গ্রহণ করেছেন। সরকারি বিধিনুযায়ী অনুযায়ী কর্তব্যরত কোন ডাক্তার অথবা নার্স উচ্চশিক্ষার জন্য সদর দপ্তর পরিত্যাগ করলে এক বছর পর্যন্ত ফ্ল্যাট টি দখলে রাখিতে পারিবেন। কিন্তু মনপুরা হাসপাতালের সিনিয়র স্টাপ নার্স মাহফুজা আক্তার কলি এক বছরের বেশি সময় অবৈধভাবে দখলে রেখেছেন ফ্লাটটি। এ নিয়ে দায়িত্বরত নার্সরা জানান, আমরা নিয়মিত ডিউটি পালন করে জরাজীর্ণ বাসায় থাকলে ও ২ বসর পর্যন্ত কিভাবে তার স্বামী শাওন মেডিসিনে চাকুরী করে সরকারি বাসায় থাকার সুযোগ পায় সেটা কর্মকর্তারা ভালো জানেন। সাম্প্রতিক একজন নার্সকে দেখা যায় নতুন ভবনে অপারেশন থিয়েটারের জন্য বরাদ্দকৃত রুমে অবস্থান করছেন।
সাম্প্রতিক ২০ জন নার্স নিয়োগ প্রাপ্ত হলেও তাদের নেই পর্যাপ্ত আবাসন সুবিধা। তাদের থাকতে নিরাপত্তাহীন ভাড়া বাসায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নার্স বলেন আমরা দুর্গম জায়গায় চাকুরী করতে এসে যদি হাসপাতালের আবাসনে থাকতে না পারি তাহলে দুর হতে কোন স্টাফ বেশি দিন চাকুরী করার মানুষীকতা থাকবে না।
এই ব্যপারে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সোহেল কবির বলেন নতুন বিশ জন নার্স আসায় আমাদের আবাসন সংকট তৈরি হয়েছে। মাহফুজা আক্তার কলির বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন