
ফরিদপুর বোয়ালমারী রায়পুর গ্রামের বিশিষ্ট কাপড় ব্যবসায়ী মো. তৈয়ব বিশ্বাসের ছেলে মাইক্রো ব্যবসায়ী, মো. মানিক বিশ্বাস পরিবারের সম্মতিতে একটা বিবাহ করেন। পরকীয় যায় ধরা খেয়ে আবার একটা বিবাহ করেন। প্রথম স্ত্রী চলে যাওয়ার পরে এপর্যন্ত ধরা খেয়ে ৪ টি বিবাহ করেন বর্তমানে ১জন স্ত্রী আছে।তবে বিগত ৬/৭ বছর ধরে অশোক দাশের স্ত্রীর সাথে পরকীয়া চলমান ছিল। বিভিন্ন মেয়ের সাথে তার পরকীয়া রয়েছে মাঝেমধ্যে তিনি বিভিন্ন জায়গায় পরকীয়ায় ধরাও পড়েন।
বাড়ির পাশের মো.মানিক বিশ্বাসের সঙ্গে রূপাদাসের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কথা স্বামী অশোক দাশ জানতে পারে। স্ত্রী রূপাদাসের এই ঘটনা জানতে পেরে ছেলে মেয়ের মুখের দিকে তাকি নিজে কাউকে কিছু না বলে লোক লজ্জার ভয়ে মুখবুজে দোকানে আসার পরে স্টোক করেন এবং হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় মারা যান। ১ বছর পূর্বে বাড়ির পাশে হিন্দু বিধবা মহিলার সঙ্গে মহিলার পিতার বাড়ি মাগুরাতে জনতার হাতে ধরা পড়েন মো. মানিক সেখানেও দেড় লাখ টাকা জরিমানা দিয়ে তার আপন চাচাতো ভাই এবং আত্মীয়-স্বজনরা ছাড়িয়ে আনেন।
দীর্ঘদিন ধরে বাসায় যাওয়া আসা চলে এবং লোক সমাজে প্রকাশ করেন তিনি ঐ বিধবা নারীকে বিবাহ করেছেন। গ্রামের লোকজনের সন্দেহ হলে ঘরে যেতেই আটকে ফেলে এবং সাংবাদিকসহ ৩/৪ শত লোক জড়ো হয়ে আলোড়নের সৃষ্টি হয়।
ওয়াড কমিশনার আতিকুল ঘটনা স্থলে পৌঁছে মানিকের কথা জিজ্ঞাসাবাদ করলে মহিলা ঘরে নেই বলে অস্বীকার করেন। গ্রামবাসী চাপ দিলে ঘর থেকে বের করে দেন। পুলিশ প্রশাসন এসে গ্রাম্য সালিশের মধ্যদিয়ে শর্তদিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন