
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তের রাস্তা নির্মানের কাজর ৪ দিনের জন্য বন্ধ করলেন বিএসএফ। এ নিয়ে শুক্রবার সকাল ১১টায় ফুলবাড়ী উপজেলার খালিষাকোটাল সীমান্তে বিজিবি- বিএসএফর মধ্যে কোম্পানি পর্যায় পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কাজ বন্ধ রাখার জন্য ভারতীয় বিএসএফের ৩ ব্যাটালিয়নের অধীনে মেঘনা নারায়ন কোম্পানি কমান্ডার সুনীল কুমার রায় এ প্রতিশ্রæতি দেন।
শুক্রবার বিকাল তিনটার সময় ওই সীমান্তে উদ্ভদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে বালারহাট ক্যাম্পের চত্বরে সুধিজনের মধ্যে এক মতবিনিময় সভা করেন লালমনিহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিযৈনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম । তিনি জানান সীমান্তের আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে রাস্তা নির্মানের চেষ্টা করেন বিএসএফ। আগামী ১৩ জানুয়ারী ৯৩৪ নং মেইন পিলারের পাশে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ব্যাটালিয়ন পযার্য় পতকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে উদ্বদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে।
উল্লেখ্য গত বুধবার গভীর রাতে খলিশাকোঠাল সীমান্তের ওপারে কুর্শাহাট-টু-দিনহাটা যাওয়ার মেইন সড়কে কৃষিমত করলা এলাকায় প্রায় ১ কিলোমিটার রাস্তাটি পুনরায় ৪ লেনের রাস্তার কাজ করার লক্ষে সরঞ্জাম নিয়ে ওই সীমান্তে জড়ো করে বিএসএফ । এ খবর বিজিবির কাছে পৌছিলে গত বৃহস্পতিবার বিকালে কড়া প্রতিবাদ জানায়। বিজিবির প্রতিবাদে কিছুক্ষন রাস্তার কাজ বন্ধ করার পর গভীর রাতে আবার কাজ শুরু করে দেন তাঁরা। অথচ ওই রাস্তাটি সীমান্ত ঘেষা হওয়ায় আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ৯৩৪ নং এর সাব পিলার ১ হতে ১১ এস পর্যন্ত রয়েছে। সেখানে দূরত্বে ৭০ গজ, কোথাও ২০-৬০ গজ আবার কোথাও ১০০ রয়েছে বালাদেশের মাটি। সে কারনে আর্ন্তজাতিক আইনের মধ্যে পড়ায় নির্মাণ কাজ করতে পারে না ভারতীয় বিএসএফ। তাই গোপনে সার্চ লাইট জ্বালিয়ে রাতে অন্ধকারে বিজিবি ও সাধারন বাংলাদেশিদের চোখে ফাঁকি দিয়ে নির্মান সামগ্রী নিয়ে দ্রæত কাজটি বাস্তবায়ন করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে বিএসএফ।
ওই সীমান্তে মন্টু মেম্বার জানান ভারতের বসকোঠাল সীমান্তে প্রায় এককিলোমিটার রাস্তাটি বাংলাদেশের ঘেষা হওয়ায় আগে কাঠাতার দিতে পারেনি। কংকিট সিড়ি দিয়ে ৩ ফুট কাটাতারের বেড়া দিয়ে যাওয়া আসা বন্ধ করেছে বিএসএফ। এই রাস্তার সাথে নতুন ৪ লেনের রাস্তা এখন নির্মান করার জন্য মালামাল নিয়ে জড়ো করেছে তাঁরা।
নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মুসাব্বের আলী মুসা জানান রাস্তা নির্মানকে কেন্দ্র করে শুক্রবার বিকাল তিনটার সময় ১৫ বিজিবর অধিনায়ক ওই সীমান্তে উত্তেজনা পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের সাথে মিটিং করেছেন । সাধারণ মানূষ আকামী ১৩ জানূয়ারী পর্যন্ত যাতে ওই সীমান্তে কেউ না যায় সে জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গ ১৫ বিজিবি ব্যাটালিযৈনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম জানান সীমান্তের আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে রাস্তা নির্মানের চেষ্টা করেন বিএসএফ। আগামী ১৩ জানুয়ারী ব্যাটালিয়ন পযার্য় পতকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এখন
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন