
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের জন্য নতুন একটি মাইলফলক হতে চলছে। যার ফলে এই নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপিসহ অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। তবে আসন্ন এই নির্বাচনের তফশিল এখনো ঘোষণা হয়নি। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের ঘোষণা আসলেও সেটিও চূড়ান্ত নয়। আগামী সপ্তাহে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবুও প্রার্থী বাছাইসহ নির্বাচনী মাঠ গুছাতে ব্যস্ত সময় পার করছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ অন্য দলগুলো। এরই মধ্যে জামায়াত বেশ কিছু আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলেও বিএনপি শতাধিক প্রার্থীকে গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড। ফেব্রুয়ারি মাস টার্গেট করে নির্বাচনি প্রস্তুতি পুরোদমে চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। সূত্র জানায় সম্ভাব্য দলীয় প্রার্থীদের আমলনামা পর্যালোচনা করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রাথমিক যাচাই বাছাইয়ের পর তিনি ডিটেইলস তথ্য নিচ্ছেন এবং যোগ্য ও ক্লিন ইমেজের নেতাদের গ্রিন সিগন্যাল দেওয়া শুরু করেছেন। দলের হাইকমান্ড অত্যন্ত গোপনে তিন স্তরে যাচাই বাছাই কার্যক্রম চালিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে তিনটি টিম কাজ করেছে বলে জানা গেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিগত সময়ের স্বৈরাচার হাসিনা বিরোধী আন্দোলন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই-সংগ্রামে দেশ ও দলের জন্য যে প্রার্থী সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছেন সেটি বিবেচনায় নেয়া হচ্ছে। এসব বিবেচনায় ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে এগিয়ে আছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডাকসুর সাবেক এজিএস বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম। তিনি ভোলা-৪ আসন হতে তিনবার সাংসদ নির্বাচিত হন। ৯০” এর স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বিগত স্বৈরাচার হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে সাভার আমিনবাজারে বিএনপির অবরোধ কর্মসূচিতে তিনি পুলিশের শটগানের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন। একাধিকবার কারাবরণ করেন। আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে সবসময়ই সোচ্চার ভূমিকা রাখেন। এসব বিবেচনায় তিনি দলীয় সবুজ সংকেত পেয়েছেন বলে জানা গেছে। অপরদিকে এ আসনে মনোনয়নের জন্য জনসংযোগ ও সভা সমাবেশ চালিয়ে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন