মাঠে ফসল বাঁচাতে সারের জন্য কৃষকের হাহাকার।
কেজিপ্রতি সারের জন্য এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে তাদের। যেখানে একজন সাধারণ কৃষক লাইনে দাঁড়িয়ে মোটে ২০ কেজি সার পাচ্ছেন না, সেখানে ‘ অদৃশ্য কোনো এক ক্ষমতাবানের কাছে এক এক চালানে চলে যাচ্ছে বস্তা সার! ঝিকরগাছা কায়েমকোলার নামকরা সার ব্যবসায়ী মান্নানের কালোবাজারির চাঞ্চল্যকর চিত্র উঠে এসেছে ভোরের কাগজের এর বিশেষ অনুসন্ধানে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, চৌগাছা উপজেলা ও ঝিকরগাছা উপজেলায় বরাদ্দকৃত সরকারি ভর্তুকির সার কৌশলে পাচার করা হচ্ছে উপজেলার বাইরে। সাধারণ কৃষকদের কৃত্রিম সংকটের অজুহাত দেখিয়ে বলা হচ্ছে “সার নেই”। অথচ গোপনে কালোবাজারি কায়দায় চড়া দামে অন্যান্য অঞ্চলে সার বিক্রি করে পকেট ভারী করছেন প্রভাবশালী সার ব্যবসায়ী।
স্বজনপ্রীতি ও কালোবাজারি: সাধারণ কৃষক লাইনে দাঁড়িয়ে ২০ কেজি সারের জন্য আকুতি জানালেও সার পাচ্ছে না, যা পাচ্ছে তাও উচ্চ মূল্যে, অসাধু ডিলার গন বস্তা বস্তা করে সার বাইরে পাচার করে দিচ্ছে।
চৌগাছা নির্ধারিত সরকারি বরাদ্দ সীমানা অতিক্রম ক ‘রে চড়া দামে সুবিধাজনক সময়ে উপজেলার বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
একদিকে গুদামে সারের পর্যাপ্ত মজুত,অন্যদিকে বিক্রয়কেন্দ্রে “সার শেষ” বলে কৃত্রিম হাহাকার তৈরি করে মূল্য বৃদ্ধির পাঁয়তারা।
মাঠপর্যায়ের ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, সরকারি মূল্যে সার পাওয়া এখন চৌগাছা ভাগ্যের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সার ডিলারদের এই ওপেন-সিক্রেট কালোবাজারি সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে পুরো এলাকার কৃষি ও কৃষক। বিগত সরকারের আমলে যারা সারের ডিলার ছিলেন, কিছু অসাধু ডিলার নিজেদের স্বার্থে সিদ্ধি হাছিল করতে, নিজেদের করে নিয়েছেন,,চুয়াডাঙ্গা থেকেও আসছে সার চৌগাছা উপজেলা,, শিল্প নগরী যশোরের নওয়াপাড়ার অনেক ব্যবসায়ী ধূমছে ব্যবসা করে যাচ্ছে চৌগাছা উপজেলা, চৌগাছা উপজেলা যে সারের ডিলার আছে, যার অধিকাংশ বাইরের,, যার মধ্যে মোল্লা ট্রেডার্স -স্বরুপদাহ ও কেরামত আলী পাশাপোল ইউনিয়নে।
প্রায় রাস্তায় সরকারি সার আটক হচ্ছে সাধারণ জনগণের কাছে, কিন্তু কোন প্রতিকার হচ্ছে না, প্রশাসনের বৃদ্ধাআঙ্গুল দেখিয়ে সার পাচার হচ্ছে,,
বর্তমান সরকার গঠনের পর থেকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন কৃষকের, নায্য মূল্যে কৃষক সার ডিজেল ইঞ্জিন পাবেন,, কিন্তু দলের মধ্যে স্বার্থপর লোকজন তাদের অসৎ উদ্দেশ্য /লাভবান হতে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, সরকার পড়ছে বেকায়দায়।
এরা তো বিএনপির কখনো সূফল বয়ে আনবে না বলে জানান দলের সাধারণ কর্মীরা। এখনই দরকার বর্তমান সরকার /বিএনপির কঠোর অবস্থানে যাওয়া।
স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ কৃষকদের দাবি—ভিডিও ফুটেজসহ সারের কালোবাজারির থলের বিড়াল প্রকাশ্যে আসার পরও কেন নীরব স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও প্রশাসন? অতি দ্রুত এই সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে ব্যবসায়ীদের ডিলারশিপ বাতিল করে সাধারণ মানুষের সার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


















