
ভোলার লালমোহন উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির (ওএমএস) কার্ড ইস্যু ও নবায়নে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কার্ড নষ্ট, হারিয়ে যাওয়া বা নতুনভাবে ইস্যুর সময় ভোক্তাদের কাছ থেকে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে।
স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাস-এর অফিসের মাধ্যমে এসব কার্ড প্রদান করা হয়। কিন্তু বাস্তবে অনেক উপকারভোগীকে অফিসে গিয়ে নানা অজুহাতে টাকা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। টাকা না দিলে আবেদন ঝুলিয়ে রাখা হয় বা কার্ড প্রদানে অযথা বিলম্ব করা হয়।
একজন ভুক্তভোগী বলেন, “আমার কার্ড হারিয়ে গেলে নতুন করতে গেলে অফিসে ৩০০ টাকা দিতে হয়েছে। না দিলে বলে ‘সময় লাগবে’। অথচ সরকার এসব কার্ড গরিব মানুষের জন্য বিনামূল্যে দেয়।”
আরেকজন জানান, “কার্ড নবায়নের সময়ও টাকা দিতে হয়। বলা হয়, কাগজপত্র ঠিক করতে খরচ লাগে।”
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও দালাল চক্র এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। এতে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত হচ্ছেন এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাস-এর বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন ও সরাসরি যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
নাগরিক সমাজ ও জনপ্রতিনিধিরা বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি যেন স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত থাকে, সে জন্য প্রশাসনের কঠোর তদারকি ও নিয়মিত মনিটরিং জরুরি।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন