ঢাকা ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo লালমোহনে দুধে পানি মেশানোর অভিযোগে বিক্রেতার মাথায় দুধ ঢাললেন পৌর কর্মকর্তা Logo বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল বোটসহ ১৬ জেলেকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী Logo বরিশাল-ভোলা সংযোগ: উন্নয়নের প্রত্যাশা নাকি অগ্রাধিকারের সংকট? Logo মনপুরায় জেলের জালে ১৬ কেজির কোড়াল, নিলামে বিক্রি ২৪ হাজার টাকায় Logo লালমোহনে অবৈধ সিগারেট ও রোলিং পেপার জব্দ, গোডাউন মালিকদের নিয়ে প্রশ্ন Logo স্বামীর ধারালো অস্রের আঘাতে মাথায় গুরুতর জখম, হাসপাতালে স্ত্রী Logo রূপগঞ্জে পাঠাও কর্মীকে আটকে রেখে মারধর, নগদ টাকা ও মালামাল ছিনতাই Logo মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপদেষ্টা: সরকারের আকার বাড়লেই কি বাড়ে সক্ষমতা? Logo নিউইয়র্কে নোয়াখালীর যুবককে গুলি করে হত্যা Logo ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

লালমোহনে জোরপূর্বক জমি দখল নিতে পায়তারার অভিযোগ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৪৫৪

ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মৃত সেরাজল হক হাওলাদারের ছেলে মো. কলিমুল্লাহ (৪৩) এর জমি জোরপূর্বক দখলে নিতে পাঁয়তারা চালানোর অভিযোগ উঠেছে পার্শ্ববর্তী মোহাম্মদ আলী ও তার ভগ্নিপতি মো. নসু খলিফার বিরুদ্ধে।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী মো. কলিমুল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবা মৃত সেরাজল হক হাওলাদার পার্শ্ববর্তী হাজি বাড়ি থেকে ধারদেনা করে মৃত মাওলানা রুহুল আমিন থেকে
কালমা মৌজার ২০১ খতিয়াতের দাগ নং ১৩৪ থেকে ১২ শতাংশ জমি খরিদ করেন। এরপর পার্শ্ববর্তী বাসেদ, কামাল, বাবুল, শহরব বধু গংরা এসে দাবি করেন এজমি আমাদের এরপর আমরা মাও. রুহুল আমিন এর ছেলেদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা এসে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে পুনোরায় আমাদেরকে এ জমি বুঝিয়ে দেন। আমরা সেখানে পাকা ঘরসহ গাছপালা ও পুকুর খনন করে বাড়ি সাজিয়ে নেই। এরপর আমরা দীর্ঘ দিন ভোগদখল করে আসছি।

হঠাৎ করে একদিন নসু খলিফা রাতের আঁধারে ওই জমিতে একটি ছোট্ট ঘর উত্তোলন করেন। এরপর আবারও পুনোরায় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে বিচার ফায়সালা হয়। এরপর পুনরায় আমাদের জমি বুঝি পাই। এজমি আমার বাবা খরিদ করতে গিয়ে বার বার বাঁধা আসায় এনিয়ে চিন্তা করতে করতে আমার বাবা এদুনিয়া থেকে বিদায় নিয়ে চলে যায়।

এরপর আমরা আমাদের জমি ভোগদখল করে আসছি। বৃহস্পতিবার ২১ আগস্ট আমরা আমাদের জমিতে ভেড়া দিতে গেলো মোহাম্মদ আলী ও তার ভগ্নিপতি নসু খলিফা লোকজন নিয়ে এসে বাঁধা দেন আমাদেরকে ভেড়া দিতে নিষেধ করে বলে এজমি আমাদের। এজমি কিনে আমরা বারবার হেনস্তা ও হয়রানির শিকার হচ্ছি আমরা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু সমাধান চাই।
এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী ও নসু খলিফা সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, এজমি আমরা কলিমুল্লাহদের আগে ক্রয় করছি। এজমি আমাদের কাগজপত্রে ফয়সালায় যে,পায় তা আমরা মেনে নেব।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১১:৪৬:৩৩ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৫ ২৩৩ বার পড়া হয়েছে
Logo
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

লালমোহনে জোরপূর্বক জমি দখল নিতে পায়তারার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:৪৬:৩৩ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৫
৪৫৪

ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মৃত সেরাজল হক হাওলাদারের ছেলে মো. কলিমুল্লাহ (৪৩) এর জমি জোরপূর্বক দখলে নিতে পাঁয়তারা চালানোর অভিযোগ উঠেছে পার্শ্ববর্তী মোহাম্মদ আলী ও তার ভগ্নিপতি মো. নসু খলিফার বিরুদ্ধে।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী মো. কলিমুল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবা মৃত সেরাজল হক হাওলাদার পার্শ্ববর্তী হাজি বাড়ি থেকে ধারদেনা করে মৃত মাওলানা রুহুল আমিন থেকে
কালমা মৌজার ২০১ খতিয়াতের দাগ নং ১৩৪ থেকে ১২ শতাংশ জমি খরিদ করেন। এরপর পার্শ্ববর্তী বাসেদ, কামাল, বাবুল, শহরব বধু গংরা এসে দাবি করেন এজমি আমাদের এরপর আমরা মাও. রুহুল আমিন এর ছেলেদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা এসে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে পুনোরায় আমাদেরকে এ জমি বুঝিয়ে দেন। আমরা সেখানে পাকা ঘরসহ গাছপালা ও পুকুর খনন করে বাড়ি সাজিয়ে নেই। এরপর আমরা দীর্ঘ দিন ভোগদখল করে আসছি।

হঠাৎ করে একদিন নসু খলিফা রাতের আঁধারে ওই জমিতে একটি ছোট্ট ঘর উত্তোলন করেন। এরপর আবারও পুনোরায় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে বিচার ফায়সালা হয়। এরপর পুনরায় আমাদের জমি বুঝি পাই। এজমি আমার বাবা খরিদ করতে গিয়ে বার বার বাঁধা আসায় এনিয়ে চিন্তা করতে করতে আমার বাবা এদুনিয়া থেকে বিদায় নিয়ে চলে যায়।

এরপর আমরা আমাদের জমি ভোগদখল করে আসছি। বৃহস্পতিবার ২১ আগস্ট আমরা আমাদের জমিতে ভেড়া দিতে গেলো মোহাম্মদ আলী ও তার ভগ্নিপতি নসু খলিফা লোকজন নিয়ে এসে বাঁধা দেন আমাদেরকে ভেড়া দিতে নিষেধ করে বলে এজমি আমাদের। এজমি কিনে আমরা বারবার হেনস্তা ও হয়রানির শিকার হচ্ছি আমরা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু সমাধান চাই।
এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী ও নসু খলিফা সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, এজমি আমরা কলিমুল্লাহদের আগে ক্রয় করছি। এজমি আমাদের কাগজপত্রে ফয়সালায় যে,পায় তা আমরা মেনে নেব।

Facebook Comments Box