
ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মৃত সেরাজল হক হাওলাদারের ছেলে মো. কলিমুল্লাহ (৪৩) এর জমি জোরপূর্বক দখলে নিতে পাঁয়তারা চালানোর অভিযোগ উঠেছে পার্শ্ববর্তী মোহাম্মদ আলী ও তার ভগ্নিপতি মো. নসু খলিফার বিরুদ্ধে।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী মো. কলিমুল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবা মৃত সেরাজল হক হাওলাদার পার্শ্ববর্তী হাজি বাড়ি থেকে ধারদেনা করে মৃত মাওলানা রুহুল আমিন থেকে
কালমা মৌজার ২০১ খতিয়াতের দাগ নং ১৩৪ থেকে ১২ শতাংশ জমি খরিদ করেন। এরপর পার্শ্ববর্তী বাসেদ, কামাল, বাবুল, শহরব বধু গংরা এসে দাবি করেন এজমি আমাদের এরপর আমরা মাও. রুহুল আমিন এর ছেলেদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা এসে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে পুনোরায় আমাদেরকে এ জমি বুঝিয়ে দেন। আমরা সেখানে পাকা ঘরসহ গাছপালা ও পুকুর খনন করে বাড়ি সাজিয়ে নেই। এরপর আমরা দীর্ঘ দিন ভোগদখল করে আসছি।
হঠাৎ করে একদিন নসু খলিফা রাতের আঁধারে ওই জমিতে একটি ছোট্ট ঘর উত্তোলন করেন। এরপর আবারও পুনোরায় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে বিচার ফায়সালা হয়। এরপর পুনরায় আমাদের জমি বুঝি পাই। এজমি আমার বাবা খরিদ করতে গিয়ে বার বার বাঁধা আসায় এনিয়ে চিন্তা করতে করতে আমার বাবা এদুনিয়া থেকে বিদায় নিয়ে চলে যায়।
এরপর আমরা আমাদের জমি ভোগদখল করে আসছি। বৃহস্পতিবার ২১ আগস্ট আমরা আমাদের জমিতে ভেড়া দিতে গেলো মোহাম্মদ আলী ও তার ভগ্নিপতি নসু খলিফা লোকজন নিয়ে এসে বাঁধা দেন আমাদেরকে ভেড়া দিতে নিষেধ করে বলে এজমি আমাদের। এজমি কিনে আমরা বারবার হেনস্তা ও হয়রানির শিকার হচ্ছি আমরা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু সমাধান চাই।
এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী ও নসু খলিফা সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, এজমি আমরা কলিমুল্লাহদের আগে ক্রয় করছি। এজমি আমাদের কাগজপত্রে ফয়সালায় যে,পায় তা আমরা মেনে নেব।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন