
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি বেসরকারি হাসপাতালের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পৌরশহরের হাসপাতাল গেট এলাকার নিউ গ্রিণ লাইফ ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে প্রসববেদনা উঠলে তজুমদ্দিন উপজেলার আড়ালিয়া গ্রামের গৃহবধূ মোসা. আছমা বেগমকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে আল্ট্রাসনোগ্রামের জন্য তাকে নিউ গ্রিণ লাইফ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে যাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ নানা প্রলোভন দেখিয়ে গৃহবধূকে ভর্তি করায়। পরে হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শাহনাজ পারভীন জানান, আছমা বেগমের সিজার করাতে হবে। এ জন্য স্বজনদের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা জমা নেয়া হয়। তবে অভিযোগ, টাকা নেওয়ার পরও সিজার না করে স্বাভাবিক প্রসব করানো হয়। এতে নবজাতক মৃত অবস্থায় জন্ম নেয়।
গৃহবধূ আছমা বেগমের স্বামী মো. ইব্রাহিম বলেন,“সকালে হাসপাতালে নেওয়ার পর তারা আমাদের জানায়, বাচ্চার অবস্থা খারাপ, সিজার ছাড়া বাঁচানো যাবে না। তাদের কথামতো আমি টাকাও দিয়েছি। কিন্তু পরে সিজার না করে জোরপূর্বক স্বাভাবিক প্রসব করায়, এতে আমার বাচ্চা মারা যায়। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নিউ গ্রিণ লাইফ হাসপাতালের কর্মকর্তা মো. বাবুল বলেন,“আমাদের হাসপাতালে আসার আগেই রোগীর অবস্থা খারাপ ছিল। পরে আমরা সিজারের পরামর্শ দিয়েছিলাম। কিন্তু সিজার করার আগেই ওই রোগী স্বাভাবিকভাবে একজন মৃত নবজাতকের জন্ম দেন।
স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন