ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo কুড়িগ্রামে প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে ভুয়া কাগজপত্র ও অনিয়মের অভিযোগ Logo ১০ টাকার সিম নিতে গিয়ে তথ্যের ঝুঁকিতে শত শত গ্রাহক, পঞ্চগড়ে আটক ৩ Logo কুমারখালীতে ফসলি জমি হুমকিতে: পদ্মা নদীর কোল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন Logo প্রযুক্তিনির্ভর প্রজন্ম গড়তে Ovipray-এর নতুন উদ্যোগ, অনুষ্ঠিত Robotics ও AI কর্মশালা Logo কালিয়াকৈরে বজ্রপাতের পর নৌকা থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু Logo মনপুরায় ১ ইলিশের দাম ১৫ হাজার টাকা। Logo রূপগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে যুবদল নেতার ওপর হামলার অভিযোগ Logo পঞ্চগড়ে পরকীয়ার অভিযোগে স্বামীকে বিষ খাওয়ানোর অভিযোগ, স্ত্রী আটক Logo সাতক্ষীরায় ৫৬ বোতল কোরেক্সসহ দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) Logo হাতিয়াতে ধান খেতে কীটনাশক স্প্রের বিষাক্ত বাষ্পে শ্রেণিকক্ষে অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী

অনিয়মের তথ্য নিতে গিয়ে বহিরাগতকে ডেকে আনলেন গুদাম কর্মকর্তা

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৫১৮

‎ভোলার চরফ্যাশন খাদ্য গুদামে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আমন ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে ব্যাপক অনিয়ম ও সিন্ডিকেট বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী তালিকাভুক্ত কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয়ের কথা থাকলেও বাস্তবে মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে ধান সংগ্রহ করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

‎এদিকে এসব অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে

‎আরটিভি প্রতিনিধি আরিফ হোসেন ও মাইটিভি প্রতিনিধি শাহাবুদ্দিন হাওলাদারের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনাও ঘটেছে। অভিযোগ রয়েছে, খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নেছার উদ্দিন নিজেই বাচ্চু নামের এক বাহিরাগত ব্যক্তিকে গুদামে ডেকে আনেন। পরে ওই ব্যক্তি সাংবাদিকদের সঙ্গে উত্তেজনাকর আচরণ করেন।

‎উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের তালিকাভুক্ত কৃষকদের তথ্য যাচাই করতে সরেজমিনে গিয়ে একাধিক কৃষকের সঙ্গে কথা বলা হলে তারা জানান, তালিকায় নাম থাকলেও তারা কেউ চরফ্যাশন খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি করেননি। অথচ সরকারি কাগজপত্রে তাদের নাম ব্যবহার করে ধান সংগ্রহ দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

‎চরফ্যাশন খাদ্য গুদামের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে ২২৪ জন কৃষক কার্ডধারীর কাছ থেকে মোট ৬৭২ মেট্রিক টন আমন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতি কেজি ধানের সরকারি ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৩৪ টাকা।

‎এ বিষয়ে জানতে রোববার খাদ্য গুদামে গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নেছার উদ্দিনকে পাওয়া যায়নি। তবে তার কার্যালয়ে আমির হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে দেখা যায়, যিনি নিজেকে ওই কর্মকর্তার আত্মীয় বলে পরিচয় দেন। তিনি জানান, গত তিন মাস ধরে তিনি খাদ্য গুদামে অবস্থান করছেন এবং বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করছেন।

‎পরদিন সোমবার আবারও গেলে গুদাম কর্মকর্তা নেছার উদ্দিন বাহিরাগত বাচ্চু নামের এক ব্যক্তিকে সেখানে ডাকেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর ওই ব্যক্তি সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। পুরো ঘটনাটি সামনে ঘটলেও গুদাম কর্মকর্তা নীরব ভূমিকা পালন করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ সাংবাদিকদের।

‎সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নেছার উদ্দিন কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, সাংবাদিকদের সাথে খারাপ আচরণ করা ঠিক হয়নি। আমি এই বিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রকের সাথে কথা বলবো

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১১:১৯:০৩ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬ ৩৮৪ বার পড়া হয়েছে
Logo
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

অনিয়মের তথ্য নিতে গিয়ে বহিরাগতকে ডেকে আনলেন গুদাম কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ১১:১৯:০৩ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
৫১৮

‎ভোলার চরফ্যাশন খাদ্য গুদামে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আমন ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে ব্যাপক অনিয়ম ও সিন্ডিকেট বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী তালিকাভুক্ত কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয়ের কথা থাকলেও বাস্তবে মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে ধান সংগ্রহ করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

‎এদিকে এসব অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে

‎আরটিভি প্রতিনিধি আরিফ হোসেন ও মাইটিভি প্রতিনিধি শাহাবুদ্দিন হাওলাদারের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনাও ঘটেছে। অভিযোগ রয়েছে, খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নেছার উদ্দিন নিজেই বাচ্চু নামের এক বাহিরাগত ব্যক্তিকে গুদামে ডেকে আনেন। পরে ওই ব্যক্তি সাংবাদিকদের সঙ্গে উত্তেজনাকর আচরণ করেন।

‎উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের তালিকাভুক্ত কৃষকদের তথ্য যাচাই করতে সরেজমিনে গিয়ে একাধিক কৃষকের সঙ্গে কথা বলা হলে তারা জানান, তালিকায় নাম থাকলেও তারা কেউ চরফ্যাশন খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি করেননি। অথচ সরকারি কাগজপত্রে তাদের নাম ব্যবহার করে ধান সংগ্রহ দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

‎চরফ্যাশন খাদ্য গুদামের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে ২২৪ জন কৃষক কার্ডধারীর কাছ থেকে মোট ৬৭২ মেট্রিক টন আমন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতি কেজি ধানের সরকারি ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৩৪ টাকা।

‎এ বিষয়ে জানতে রোববার খাদ্য গুদামে গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নেছার উদ্দিনকে পাওয়া যায়নি। তবে তার কার্যালয়ে আমির হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে দেখা যায়, যিনি নিজেকে ওই কর্মকর্তার আত্মীয় বলে পরিচয় দেন। তিনি জানান, গত তিন মাস ধরে তিনি খাদ্য গুদামে অবস্থান করছেন এবং বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করছেন।

‎পরদিন সোমবার আবারও গেলে গুদাম কর্মকর্তা নেছার উদ্দিন বাহিরাগত বাচ্চু নামের এক ব্যক্তিকে সেখানে ডাকেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর ওই ব্যক্তি সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। পুরো ঘটনাটি সামনে ঘটলেও গুদাম কর্মকর্তা নীরব ভূমিকা পালন করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ সাংবাদিকদের।

‎সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নেছার উদ্দিন কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, সাংবাদিকদের সাথে খারাপ আচরণ করা ঠিক হয়নি। আমি এই বিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রকের সাথে কথা বলবো

Facebook Comments Box