বরিশালে গ্রেপ্তার হওয়া আসামির মৃত্যুর গুজবকে কেন্দ্র করে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় থানায় হামলা,ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ পুলিশকে মারধরের ঘটনায় রাতভর অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত মহিলা সহ মোট ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ,ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৪৩ জনার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে,বিষয়টি নিশ্চিত করেন আগৈলঝাড়া থানার ওসি মো: মাসুদ খান,অভিযানে আরও বেস কয়েকজনকে আটকের চেষ্টা চলছে,এ ঘটনায় ওসি মো: মাসুদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,থানায় ঢুকে এভাবে দুর্বৃত্তরা পুলিশের উপর হামলা নির্যাতন খুবই দুঃখজন,এর আগে,গত বুধবার (৮ জুলাই )রাত পৌনে ৮টার দিকে আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী গ্রামের রিয়াজ ফকির নামের এক যুবককে চুরি মামলার সন্দেহজনক আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করে পুলিশ,তার বিরুদ্ধে আরও দুটি মাদক মামলাও রয়েছে,ওইদিন রাত ৯টার দিকে থানা হাজতের ভেতরে লোহার শিকের সঙ্গে মাথা ঠুকে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে রিয়াজ,বর্তমানে তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন
পুলিশ হেফাজতে রিয়াজের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে,বৃহস্পতিবার(৯ জুলাই)বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর হামলা করে একদল গ্রামবাসী,এ সময় কম্পিউটারসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করে এবং ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারতে মারতে থানার বাইরে নিয়ে যায়,পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে,এ ঘটনায় গুরুতর আহত ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়,এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া,ফরহাদ হোসেন,মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হন,
অপরদিকে,সংঘর্ষে আসামি রিয়াজের মা নাছরিন বেগম (৫০),বোন শারমিন আক্তার (২৮),মমতাজ বেগম (৪৭) চাচা কাঞ্চন ফকিরসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছে,যানায়ায় তাদের মধ্যে তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন এবং বাকিরা বিভিন্ন হসপিটালে চিকিৎসা নিচ্ছে।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন