ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo মনপুরায় জেলের জালে ১৬ কেজির কোড়াল, নিলামে বিক্রি ২৪ হাজার টাকায় Logo লালমোহনে অবৈধ সিগারেট ও রোলিং পেপার জব্দ, গোডাউন মালিকদের নিয়ে প্রশ্ন Logo স্বামীর ধারালো অস্রের আঘাতে মাথায় গুরুতর জখম, হাসপাতালে স্ত্রী Logo রূপগঞ্জে পাঠাও কর্মীকে আটকে রেখে মারধর, নগদ টাকা ও মালামাল ছিনতাই Logo মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপদেষ্টা: সরকারের আকার বাড়লেই কি বাড়ে সক্ষমতা? Logo নিউইয়র্কে নোয়াখালীর যুবককে গুলি করে হত্যা Logo ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯ Logo সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo তজুমদ্দিনে ৪১টি চান্দিনা ভিটা বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন। Logo তেঁতুলিয়ায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

পাখি মেরে পৌচাশিক আনন্দ পায় লালমোহনের জামাল হাওলাদার

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৩৪৪

ভোলার লালমোহনে পাখি মেরে পৌচাশিক আনন্দ উপভোগ করেন লালমোহনের জামাল হাওলাদার নামের এক মুরগীর খামারি। উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড চৌমূহনী বাজার এলাকার পূর্বরমাগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পিছনে জামাল হাওলাদারের মুরগীর খামারে ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় বাবুল চৌকিদার জানান, এখানে জামাল হাওলাদারের কয়েকটি মুরগীর খামার রয়েছে। মুরগীর খামারে পাখি ঢুকে বয়লার খাওয়ার কারণে পাখিগুলোকে মেরে টাঙ্গিয়ে রাখে জামাল হাওলাদার।
চৌমূহনী বাজারের ব্যবসায়ী মাকসুদ জানান, বয়লার খাবার খেতে আসা পাখিগুলোকে মেরে টাঙ্গিয়ে রাখেন জামাল হাওলাদার। এরপর মারা যাওয়ার পর কচুরিওয়ালা পুকুরে ফেলে দেন তিনি। আজকে আমি ঘটনা জানার পর গিয়ে দেখি প্রায় ১৬/১৭টি পাখি মারা গেছে। আর জীবিত আটকিয়ে রেখেছে ২০/২৫টি পাখি। আমরা জীবিত পাখিগুলোকে ছেড়ে দিয়েছি।
ওই এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরো কয়েকজন জানান, জামাল হাওলাদার প্রতিদিন মুরগীর খামারে এসে খামারের জাল উঠিয়ে দেয়। জাল উঠানোর পর পাখিগুলো বয়লার খাবার খেতে খামারে প্রবেশ করলে উনি জাল নামিয়ে দেন। এরপর ওনি পাখিগুলোকে পিটিয়ে মেরে পৌচাশিক আনন্দ উপভোগ করে মরা পাখিগুলোকে কখনো মাটিতে পুতে ফেলেন এবং কখনো কচুরিওয়ালা পকুরে ফেলে দেন। পাখিগুলোর মধ্যে বেশির ভাগ লাল শালিক ও দোয়েল পাখি।
তারা আরো বলেন, দেশে এমনিতেই পাখি শূন্য। তারপরও পাখির প্রতি এমন নিষ্ঠুর আচরণ কোন ভাবেই কাম্য নয়। পাখির প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের জন্য পরিবশে ও বন্য আইনে ওনার শাস্তি হওয়া উচিত।
এ ব্যাপারে জামাল হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করার পর রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
উপকূলীয় বন বিভাগ ভোলার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক বেলাল এ ব্যাপারে বলেন, বন্য পাখি মারার সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে আমাদের লালমোহনের প্রতিনিধিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলাবো।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৮:১৬ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ২৬৮ বার পড়া হয়েছে
Logo
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

পাখি মেরে পৌচাশিক আনন্দ পায় লালমোহনের জামাল হাওলাদার

আপডেট সময় : ০৮:৩৮:১৬ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
৩৪৪

ভোলার লালমোহনে পাখি মেরে পৌচাশিক আনন্দ উপভোগ করেন লালমোহনের জামাল হাওলাদার নামের এক মুরগীর খামারি। উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড চৌমূহনী বাজার এলাকার পূর্বরমাগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পিছনে জামাল হাওলাদারের মুরগীর খামারে ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় বাবুল চৌকিদার জানান, এখানে জামাল হাওলাদারের কয়েকটি মুরগীর খামার রয়েছে। মুরগীর খামারে পাখি ঢুকে বয়লার খাওয়ার কারণে পাখিগুলোকে মেরে টাঙ্গিয়ে রাখে জামাল হাওলাদার।
চৌমূহনী বাজারের ব্যবসায়ী মাকসুদ জানান, বয়লার খাবার খেতে আসা পাখিগুলোকে মেরে টাঙ্গিয়ে রাখেন জামাল হাওলাদার। এরপর মারা যাওয়ার পর কচুরিওয়ালা পুকুরে ফেলে দেন তিনি। আজকে আমি ঘটনা জানার পর গিয়ে দেখি প্রায় ১৬/১৭টি পাখি মারা গেছে। আর জীবিত আটকিয়ে রেখেছে ২০/২৫টি পাখি। আমরা জীবিত পাখিগুলোকে ছেড়ে দিয়েছি।
ওই এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরো কয়েকজন জানান, জামাল হাওলাদার প্রতিদিন মুরগীর খামারে এসে খামারের জাল উঠিয়ে দেয়। জাল উঠানোর পর পাখিগুলো বয়লার খাবার খেতে খামারে প্রবেশ করলে উনি জাল নামিয়ে দেন। এরপর ওনি পাখিগুলোকে পিটিয়ে মেরে পৌচাশিক আনন্দ উপভোগ করে মরা পাখিগুলোকে কখনো মাটিতে পুতে ফেলেন এবং কখনো কচুরিওয়ালা পকুরে ফেলে দেন। পাখিগুলোর মধ্যে বেশির ভাগ লাল শালিক ও দোয়েল পাখি।
তারা আরো বলেন, দেশে এমনিতেই পাখি শূন্য। তারপরও পাখির প্রতি এমন নিষ্ঠুর আচরণ কোন ভাবেই কাম্য নয়। পাখির প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের জন্য পরিবশে ও বন্য আইনে ওনার শাস্তি হওয়া উচিত।
এ ব্যাপারে জামাল হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করার পর রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
উপকূলীয় বন বিভাগ ভোলার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক বেলাল এ ব্যাপারে বলেন, বন্য পাখি মারার সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে আমাদের লালমোহনের প্রতিনিধিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলাবো।

Facebook Comments Box