ঢাকা ০৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo সাইবার বুলিং ঠেকাতে কার্যকর নীতি চায় আইআরআই, আইন সংশোধনে মতামত নিচ্ছে সরকার Logo মনপুরায় স্কুল ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি ও সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত Logo “মনপুরায় দ্রুত জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ও কলাতলীতে বেড়ীবাঁধ নির্মানের আশ্বাস -কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক ও এমপি নয়ন Logo কুড়িগ্রামে প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে ভুয়া কাগজপত্র ও অনিয়মের অভিযোগ Logo ১০ টাকার সিম নিতে গিয়ে তথ্যের ঝুঁকিতে শত শত গ্রাহক, পঞ্চগড়ে আটক ৩ Logo কুমারখালীতে ফসলি জমি হুমকিতে: পদ্মা নদীর কোল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন Logo প্রযুক্তিনির্ভর প্রজন্ম গড়তে Ovipray-এর নতুন উদ্যোগ, অনুষ্ঠিত Robotics ও AI কর্মশালা Logo কালিয়াকৈরে বজ্রপাতের পর নৌকা থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু Logo মনপুরায় ১ ইলিশের দাম ১৫ হাজার টাকা। Logo রূপগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে যুবদল নেতার ওপর হামলার অভিযোগ

গাইবান্ধায় দীর্ঘদিনের জমি বিরোধ মীমাংসা, এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৪৯

গাইবান্ধার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের মধ্যপাড়া মৌজায় (জেল নং ২৭) দীর্ঘদিন ধরে চলমান একটি জটিল জমি সংক্রান্ত বিরোধ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসা করা হয়েছে। এতে করে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং পারিবারিক দ্বন্দ্বের অবসান ঘটেছে। জানা যায়, মৃত হাসেন আলীর মৃত্যুর পর তাঁর রেখে যাওয়া সম্পত্তি নিয়ে সৎ মা ও সৎ সন্তানদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে পরিবারে অসন্তোষ ও উত্তেজনা বিরাজ করছিল। অবশেষে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা করে সমঝোতার ভিত্তিতে বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়। মীমাংসার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মৃত হাসেন আলীর বিআরএস খতিয়ান নং ৩৬১ এবং ৪৪২ নম্বর হোল্ডিংয়ের সম্পত্তি সুষ্ঠুভাবে বণ্টন করা হয়েছে। এর মধ্যে সৎ মা বুলবুলির খারিজ খতিয়ান নং ৪৩৬ এবং প্রথম সন্তান মো. আল আমিনের খতিয়ান নং ৪৩৯ অনুসারে জমি ভাগাভাগি সম্পন্ন হয়। চুক্তি অনুযায়ী, মৃত হাসেন আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী ও তাঁর সন্তানদের—হাজেরা বেগম, হাজেরা খাতুন, বুলবুলি বেগম ও বুলবুল মিয়ার নামে খারিজকৃত মোট ৬৪ শতক জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে প্রথম সন্তান মো. আলামিন মিয়াকে ওয়ারিশ ও ক্রয় সূত্রে মোট ২৮ শতক জমি প্রদান করা হয়, যার মধ্যে ২১ শতক ওয়ারিশ সূত্রে এবং ৭ শতক ক্রয় সূত্রে অন্তর্ভুক্ত। অবশিষ্ট সম্পত্তি অন্যান্য শরিকদের মধ্যে আইনগত বিধান ও স্থানীয় সমঝোতার ভিত্তিতে বণ্টন করা হয়েছে। এলাকাবাসীর মধ্যস্থতায় দীর্ঘদিনের এই বিরোধের অবসান হওয়ায় এলাকায় শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। মীমাংসার সময় এলাকাবাসীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন—মো. বেলাল হোসেন, আয়নাল হক, শাহ আলম, সাইফুল ইসলাম, মমিন মিয়া, আমিনুল ইসলাম, হারুন মিয়া, আংগুর মিয়া, সাইদুল ইসলাম ও শামীম মিয়াসহ আরও অনেকে।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:০২ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ১৭৯ বার পড়া হয়েছে
Logo
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

গাইবান্ধায় দীর্ঘদিনের জমি বিরোধ মীমাংসা, এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে

আপডেট সময় : ০৫:৩১:০২ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
২৪৯

গাইবান্ধার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের মধ্যপাড়া মৌজায় (জেল নং ২৭) দীর্ঘদিন ধরে চলমান একটি জটিল জমি সংক্রান্ত বিরোধ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসা করা হয়েছে। এতে করে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং পারিবারিক দ্বন্দ্বের অবসান ঘটেছে। জানা যায়, মৃত হাসেন আলীর মৃত্যুর পর তাঁর রেখে যাওয়া সম্পত্তি নিয়ে সৎ মা ও সৎ সন্তানদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে পরিবারে অসন্তোষ ও উত্তেজনা বিরাজ করছিল। অবশেষে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা করে সমঝোতার ভিত্তিতে বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়। মীমাংসার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মৃত হাসেন আলীর বিআরএস খতিয়ান নং ৩৬১ এবং ৪৪২ নম্বর হোল্ডিংয়ের সম্পত্তি সুষ্ঠুভাবে বণ্টন করা হয়েছে। এর মধ্যে সৎ মা বুলবুলির খারিজ খতিয়ান নং ৪৩৬ এবং প্রথম সন্তান মো. আল আমিনের খতিয়ান নং ৪৩৯ অনুসারে জমি ভাগাভাগি সম্পন্ন হয়। চুক্তি অনুযায়ী, মৃত হাসেন আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী ও তাঁর সন্তানদের—হাজেরা বেগম, হাজেরা খাতুন, বুলবুলি বেগম ও বুলবুল মিয়ার নামে খারিজকৃত মোট ৬৪ শতক জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে প্রথম সন্তান মো. আলামিন মিয়াকে ওয়ারিশ ও ক্রয় সূত্রে মোট ২৮ শতক জমি প্রদান করা হয়, যার মধ্যে ২১ শতক ওয়ারিশ সূত্রে এবং ৭ শতক ক্রয় সূত্রে অন্তর্ভুক্ত। অবশিষ্ট সম্পত্তি অন্যান্য শরিকদের মধ্যে আইনগত বিধান ও স্থানীয় সমঝোতার ভিত্তিতে বণ্টন করা হয়েছে। এলাকাবাসীর মধ্যস্থতায় দীর্ঘদিনের এই বিরোধের অবসান হওয়ায় এলাকায় শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। মীমাংসার সময় এলাকাবাসীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন—মো. বেলাল হোসেন, আয়নাল হক, শাহ আলম, সাইফুল ইসলাম, মমিন মিয়া, আমিনুল ইসলাম, হারুন মিয়া, আংগুর মিয়া, সাইদুল ইসলাম ও শামীম মিয়াসহ আরও অনেকে।

Facebook Comments Box