ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo কুড়িগ্রামে প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে ভুয়া কাগজপত্র ও অনিয়মের অভিযোগ Logo ১০ টাকার সিম নিতে গিয়ে তথ্যের ঝুঁকিতে শত শত গ্রাহক, পঞ্চগড়ে আটক ৩ Logo কুমারখালীতে ফসলি জমি হুমকিতে: পদ্মা নদীর কোল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন Logo প্রযুক্তিনির্ভর প্রজন্ম গড়তে Ovipray-এর নতুন উদ্যোগ, অনুষ্ঠিত Robotics ও AI কর্মশালা Logo কালিয়াকৈরে বজ্রপাতের পর নৌকা থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু Logo মনপুরায় ১ ইলিশের দাম ১৫ হাজার টাকা। Logo রূপগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে যুবদল নেতার ওপর হামলার অভিযোগ Logo পঞ্চগড়ে পরকীয়ার অভিযোগে স্বামীকে বিষ খাওয়ানোর অভিযোগ, স্ত্রী আটক Logo সাতক্ষীরায় ৫৬ বোতল কোরেক্সসহ দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) Logo হাতিয়াতে ধান খেতে কীটনাশক স্প্রের বিষাক্ত বাষ্পে শ্রেণিকক্ষে অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী

চরফ্যাশনে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চরের জমি জবরদখলের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২২৬

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার নুরাবাদ ইউনিয়নের মাঝের চরে ২০জন ভূমিহীনের বন্দোবস্তকৃত ৩০ একর জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় বিভিন্ন মহলের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনও প্রতিকার পাচ্ছে না বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
তবে ইউপি চেয়ারম্যান এ অভিযোগ অস্বীকার করেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরফ্যাশনের দুলারহাট থানাধীন নুরাবাদ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড মাঝের চরে ভেকু (মাটি কাটার মেশিন) দিয়ে মাটি কেটে নদী সংলগ্ন পাড় বাঁধ দিচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যানের লোকজন। একইসাথে জমির ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া একটি খালও বাঁধ দিয়ে বন্ধ করে ফেলা হয়েছে।
মাঝের চরের ভূমি বন্দোবস্ত পাওয়া জসিম খালাসি বলেন, ২০০৪/০৫ সালে এ চরে দেড় একর জমির বন্দোবস্ত পান তিনি। কয়েকবছর ওই জমি চাষও করেছেন তিনি। তবে হঠাৎই ওই জমিতে ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের কুনজর পরায় তার লোকজন দিয়ে জমি জবরদখল করে রেখেছেন। বর্তমানে ওই জমি ভেকু লাগিয়ে মাটি কেটে জমি থেকে পানি নামার খাল বন্ধ করে দিয়েছেন। এনিয়ে দুলারহাট থানায় লিখিত অভিযোগ করলে ঘটনাস্থলে এসে মাটি কাটার কাজ বন্ধ করে দেয় পুলিশ। তবে চেয়ারম্যান তার ক্ষমতা দেখিয়ে থানা পুলিশের নিষেধ অমান্য করে এখনও কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
মোসলেউদ্দিন নামের আরেক ভূমি মালিক জানান, তিনিসহ তার স্বজনদের ১৫ একর জমিও জবরদখল করে রেখেছেন চেয়ারম্যান ও তার লোকজন। জমিতে গেলে হুমকি ধমকির শিকার হচ্ছেন তারা।
ইউসুফ মাতাব্বর, শাহ আলম মাঝিসহ আরও কয়েকজন ভূমি মালিক জানান, আগে তারা এ জমি চাষাবাদ করলেও বর্তমানে চেয়ারম্যান ও তার লোকজনের হামলার ভয়ে জমিতে যেতে পারছেন তারা।
এদিকে গত ১৪ নভেম্বর (সোমবার) ওই জমিতে কাজ বন্ধ রাখার জন্য চরফ্যাশন সহকারী জজ আদালতে মোঃ কাশেম নামে আরেক ভূমি মালিকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই জমিতে স্থিতিবস্তার আদেশ দেন আদালত। তবে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ওই জমিতে এখনও কাজ চলমান রেখেছেন চেয়ারম্যান ও তার লোকজন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নুরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সত্য নয়। ওই চরে আমার কোনও জমি নাই, এমনকি ওই জমিও আমি চিনিনা।
দুলারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়ে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:২৪:৩৮ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে
Logo
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

চরফ্যাশনে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চরের জমি জবরদখলের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:২৪:৩৮ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২
২২৬

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার নুরাবাদ ইউনিয়নের মাঝের চরে ২০জন ভূমিহীনের বন্দোবস্তকৃত ৩০ একর জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় বিভিন্ন মহলের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনও প্রতিকার পাচ্ছে না বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
তবে ইউপি চেয়ারম্যান এ অভিযোগ অস্বীকার করেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরফ্যাশনের দুলারহাট থানাধীন নুরাবাদ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড মাঝের চরে ভেকু (মাটি কাটার মেশিন) দিয়ে মাটি কেটে নদী সংলগ্ন পাড় বাঁধ দিচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যানের লোকজন। একইসাথে জমির ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া একটি খালও বাঁধ দিয়ে বন্ধ করে ফেলা হয়েছে।
মাঝের চরের ভূমি বন্দোবস্ত পাওয়া জসিম খালাসি বলেন, ২০০৪/০৫ সালে এ চরে দেড় একর জমির বন্দোবস্ত পান তিনি। কয়েকবছর ওই জমি চাষও করেছেন তিনি। তবে হঠাৎই ওই জমিতে ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের কুনজর পরায় তার লোকজন দিয়ে জমি জবরদখল করে রেখেছেন। বর্তমানে ওই জমি ভেকু লাগিয়ে মাটি কেটে জমি থেকে পানি নামার খাল বন্ধ করে দিয়েছেন। এনিয়ে দুলারহাট থানায় লিখিত অভিযোগ করলে ঘটনাস্থলে এসে মাটি কাটার কাজ বন্ধ করে দেয় পুলিশ। তবে চেয়ারম্যান তার ক্ষমতা দেখিয়ে থানা পুলিশের নিষেধ অমান্য করে এখনও কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
মোসলেউদ্দিন নামের আরেক ভূমি মালিক জানান, তিনিসহ তার স্বজনদের ১৫ একর জমিও জবরদখল করে রেখেছেন চেয়ারম্যান ও তার লোকজন। জমিতে গেলে হুমকি ধমকির শিকার হচ্ছেন তারা।
ইউসুফ মাতাব্বর, শাহ আলম মাঝিসহ আরও কয়েকজন ভূমি মালিক জানান, আগে তারা এ জমি চাষাবাদ করলেও বর্তমানে চেয়ারম্যান ও তার লোকজনের হামলার ভয়ে জমিতে যেতে পারছেন তারা।
এদিকে গত ১৪ নভেম্বর (সোমবার) ওই জমিতে কাজ বন্ধ রাখার জন্য চরফ্যাশন সহকারী জজ আদালতে মোঃ কাশেম নামে আরেক ভূমি মালিকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই জমিতে স্থিতিবস্তার আদেশ দেন আদালত। তবে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ওই জমিতে এখনও কাজ চলমান রেখেছেন চেয়ারম্যান ও তার লোকজন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নুরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সত্য নয়। ওই চরে আমার কোনও জমি নাই, এমনকি ওই জমিও আমি চিনিনা।
দুলারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়ে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল।

Facebook Comments Box