ঢাকা ০৮:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo কুড়িগ্রামে প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে ভুয়া কাগজপত্র ও অনিয়মের অভিযোগ Logo ১০ টাকার সিম নিতে গিয়ে তথ্যের ঝুঁকিতে শত শত গ্রাহক, পঞ্চগড়ে আটক ৩ Logo কুমারখালীতে ফসলি জমি হুমকিতে: পদ্মা নদীর কোল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন Logo প্রযুক্তিনির্ভর প্রজন্ম গড়তে Ovipray-এর নতুন উদ্যোগ, অনুষ্ঠিত Robotics ও AI কর্মশালা Logo কালিয়াকৈরে বজ্রপাতের পর নৌকা থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু Logo মনপুরায় ১ ইলিশের দাম ১৫ হাজার টাকা। Logo রূপগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে যুবদল নেতার ওপর হামলার অভিযোগ Logo পঞ্চগড়ে পরকীয়ার অভিযোগে স্বামীকে বিষ খাওয়ানোর অভিযোগ, স্ত্রী আটক Logo সাতক্ষীরায় ৫৬ বোতল কোরেক্সসহ দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) Logo হাতিয়াতে ধান খেতে কীটনাশক স্প্রের বিষাক্ত বাষ্পে শ্রেণিকক্ষে অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী

বাউফলে ন্যাড়া করা হলো শিক্ষকের মাথা!!

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৬২

কহিনুর বাউফল(পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলায় শিক্ষার্থীকে ফুঁসলে নেয়ার অভিযোগে হাফেজ মনিরুল ইসলাম নামের এক শিক্ষককে মারধর করে মাথা ন্যাড়া করে দেয়া হয়েছে। বাউফল পৌর শহরের হাজি সড়ক এলাকার বাউফল মদিনাতুল উলুম নুরানি হাফিজি ক্যাডেট মাদ্রাসার পরিচালক মাও. আনিচুর রহমানের নির্দেশে মাও. জসিম উদ্দিন ওই শিক্ষককের মাথা ন্যাড়া করেন। জানা গেছে, হাফেজ মনিরুল ইসলাম বাউফল মদিনাতুল উলুম নুরানি হাফিজি ক্যাডেট মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসাবে চাকরি করতেন। একজন ভাল শিক্ষক হিসাবে ছাত্র ও অভিভাবকদের মধ্যে তার সুনাম ছিল। ওই মাদ্রাসার পরিচালক মাও. আনিচুর রহমানের সাথে তার মতবিরোধ দেখা দিলে সম্প্রতি তিনি চাকরী ছেড়ে চাঁদপুর সদর উপজেলার লাউতলী জামিয়া মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসাবে যোগ দেন। তিনি চলে যাওয়ার পর কয়েকজন ছাত্র ওই মাদ্রাসা ছেড়ে অন্য মাদ্রাসায় গিয়ে ভর্তি হন। কয়েক দিন আগে বাউফল পৌর শহরের ২নং ওয়ার্ডের জাকির হোসেনের ছেলে মুজাহিদ (৮) ওই মাদ্রাসা ছেড়ে হাফেজ মনিরুল ইসলামের চাঁদপুরের মাদ্রাসায় গিয়ে ভর্তি হন। মুজাহিদের বাবা তার ছেলেকে ভর্তি করে দিয়ে আসে। এতে ক্ষুব্ধ হন বাউফল মদিনাতুল উলুম নুরানি হাফিজি ক্যাডেড মাদ্রাসার পরিচালক মাও. আনিচুর রহমান। তার ধারণা শিক্ষক মনিরুল ইসলাম ওই ছাত্রকে ফুঁসলে নিয়ে চাঁদপুর তার মাদ্রাসায় ভর্তি করেছেন। এরপর তিনি অভিভাবক পরিচয়ে অন্য একটি মোবাইল নম্বর দিয়ে হাফেজ মনিরুল ইসলামকে কয়েকজন ছাত্র দেয়ার নামে চাঁদপুর থেকে গত ৩ জুলাই বাউফলে ডেকে এনে কালিশুরী এলাকার একটি মাদ্রাসার রুমে আটকে রেখে মারধর করেন। এরপর তার নির্দেশে মাও. জসিম উদ্দিন নামের অপর এক শিক্ষক মনিরুল ইসলামের মাথা ন্যাড়া করে দেন এবং তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ও সাড়ে ৪ হাজার টাকা রেখে রাত ৮টার দিকে তাকে ছেড়ে দেন। বাউফল থানার ওসি আল মামুনের নির্দেশে এসআই নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ একই দিন দুপুরে মদিনাতুল উলুম নুরানি হাফিজি ক্যাডেড পুলিশ অভিযান চালায়। তবে এ ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (সন্ধ্যা ৭টা) গ্রেফতার করা হয়নি। ঘটনার শিকার ওই শিক্ষকের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার আলী নগর গ্রামে । তার বাবার নাম আবদুল মন্নান।

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৯:৫১:৪৯ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৬ জুলাই ২০২২ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে
Logo
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

বাউফলে ন্যাড়া করা হলো শিক্ষকের মাথা!!

আপডেট সময় : ০৯:৫১:৪৯ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৬ জুলাই ২০২২
২৬২

কহিনুর বাউফল(পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলায় শিক্ষার্থীকে ফুঁসলে নেয়ার অভিযোগে হাফেজ মনিরুল ইসলাম নামের এক শিক্ষককে মারধর করে মাথা ন্যাড়া করে দেয়া হয়েছে। বাউফল পৌর শহরের হাজি সড়ক এলাকার বাউফল মদিনাতুল উলুম নুরানি হাফিজি ক্যাডেট মাদ্রাসার পরিচালক মাও. আনিচুর রহমানের নির্দেশে মাও. জসিম উদ্দিন ওই শিক্ষককের মাথা ন্যাড়া করেন। জানা গেছে, হাফেজ মনিরুল ইসলাম বাউফল মদিনাতুল উলুম নুরানি হাফিজি ক্যাডেট মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসাবে চাকরি করতেন। একজন ভাল শিক্ষক হিসাবে ছাত্র ও অভিভাবকদের মধ্যে তার সুনাম ছিল। ওই মাদ্রাসার পরিচালক মাও. আনিচুর রহমানের সাথে তার মতবিরোধ দেখা দিলে সম্প্রতি তিনি চাকরী ছেড়ে চাঁদপুর সদর উপজেলার লাউতলী জামিয়া মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসাবে যোগ দেন। তিনি চলে যাওয়ার পর কয়েকজন ছাত্র ওই মাদ্রাসা ছেড়ে অন্য মাদ্রাসায় গিয়ে ভর্তি হন। কয়েক দিন আগে বাউফল পৌর শহরের ২নং ওয়ার্ডের জাকির হোসেনের ছেলে মুজাহিদ (৮) ওই মাদ্রাসা ছেড়ে হাফেজ মনিরুল ইসলামের চাঁদপুরের মাদ্রাসায় গিয়ে ভর্তি হন। মুজাহিদের বাবা তার ছেলেকে ভর্তি করে দিয়ে আসে। এতে ক্ষুব্ধ হন বাউফল মদিনাতুল উলুম নুরানি হাফিজি ক্যাডেড মাদ্রাসার পরিচালক মাও. আনিচুর রহমান। তার ধারণা শিক্ষক মনিরুল ইসলাম ওই ছাত্রকে ফুঁসলে নিয়ে চাঁদপুর তার মাদ্রাসায় ভর্তি করেছেন। এরপর তিনি অভিভাবক পরিচয়ে অন্য একটি মোবাইল নম্বর দিয়ে হাফেজ মনিরুল ইসলামকে কয়েকজন ছাত্র দেয়ার নামে চাঁদপুর থেকে গত ৩ জুলাই বাউফলে ডেকে এনে কালিশুরী এলাকার একটি মাদ্রাসার রুমে আটকে রেখে মারধর করেন। এরপর তার নির্দেশে মাও. জসিম উদ্দিন নামের অপর এক শিক্ষক মনিরুল ইসলামের মাথা ন্যাড়া করে দেন এবং তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ও সাড়ে ৪ হাজার টাকা রেখে রাত ৮টার দিকে তাকে ছেড়ে দেন। বাউফল থানার ওসি আল মামুনের নির্দেশে এসআই নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ একই দিন দুপুরে মদিনাতুল উলুম নুরানি হাফিজি ক্যাডেড পুলিশ অভিযান চালায়। তবে এ ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (সন্ধ্যা ৭টা) গ্রেফতার করা হয়নি। ঘটনার শিকার ওই শিক্ষকের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার আলী নগর গ্রামে । তার বাবার নাম আবদুল মন্নান।

Facebook Comments Box