ময়মনসিংহে চাঁদাবাজি, শারীরিক নির্যাতন ও সম্পত্তি দখলের চেষ্টার অভিযোগ তুলে কয়েকজনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেছেন এক ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক কর্মী। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র মেডিকেল এলাকা, ব্রিজ বাসস্ট্যান্ড ও ফুটপাতের দোকান থেকে চাঁদা আদায় করে আসছে। একই সঙ্গে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পারিবারিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় প্রভাবশালী মহানগর যুবদলের শিল্পবিষয়ক সম্পাদক রেজোয়ান বিদ্যুৎ তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তালা পরিবর্তন করে তিনদিন বন্ধ রাখেন। এ ঘটনায় তার ভাড়াটিয়ারা ক্ষুব্ধ হয়ে মামলা করতে চাইলেও পরিবারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তিনি আরও অভিযোগ করেন, একদিন সশস্ত্র হামলার ঘটনায় তার বাবা স্ট্রোক করেন।
তিনি দাবি করেন, পরবর্তীতে তার হোটেলের তথ্য ও মোবাইল নম্বর ডিজিটাল ম্যাপে পরিবর্তন করা হয়। তখন তিনি গাজীপুরের একটি প্রতিষ্ঠানে জুনিয়র আইই ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ময়মনসিংহে এসে কোতোয়ালি থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে তিনি বলেন, অভিযোগ দায়েরের পর ব্রাহ্মপল্লী এলাকায় যাওয়ার পথে ময়মনসিংহ জেলা যুবদলের সদস্য নুমান তার পথরোধ করেন। পরে ১৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল তাকে একটি সরু গলিতে নিয়ে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে শারীরিক নির্যাতন চালায়। এ সময় রেজোয়ান বিদ্যুতের সহযোগী নয়াপাড়ার সোরভ আহমেদসহ আরও কয়েকজন তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। একপর্যায়ে মাথায় আঘাত শুরু হলে তিনি প্রাণভয়ে ক্ষমা চাইতে থাকেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলার ঘটনায় রেজোয়ান বিদ্যুৎ,মাহাবুবুর রহমান মিঠুসহ আরও অজ্ঞাতনামা কয়েকজন জড়িত ছিলেন। পরদিন পুলিশ ঘটনাস্থলে এলেও কেউ সাক্ষ্য দিতে রাজি হয়নি। এমনকি মামলা এজাহারভুক্ত করতে তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
পরে আদালতে মামলা করার উদ্যোগ নিলেও
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন