ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo সৎ সাহস থাকলে পালিয়ে নয়, আদালতে আসুন: ডা. জাহিদ Logo সাইবার বুলিং ঠেকাতে কার্যকর নীতি চায় আইআরআই, আইন সংশোধনে মতামত নিচ্ছে সরকার Logo মনপুরায় স্কুল ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি ও সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত Logo “মনপুরায় দ্রুত জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ও কলাতলীতে বেড়ীবাঁধ নির্মানের আশ্বাস -কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক ও এমপি নয়ন Logo কুড়িগ্রামে প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে ভুয়া কাগজপত্র ও অনিয়মের অভিযোগ Logo ১০ টাকার সিম নিতে গিয়ে তথ্যের ঝুঁকিতে শত শত গ্রাহক, পঞ্চগড়ে আটক ৩ Logo কুমারখালীতে ফসলি জমি হুমকিতে: পদ্মা নদীর কোল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন Logo প্রযুক্তিনির্ভর প্রজন্ম গড়তে Ovipray-এর নতুন উদ্যোগ, অনুষ্ঠিত Robotics ও AI কর্মশালা Logo কালিয়াকৈরে বজ্রপাতের পর নৌকা থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু Logo মনপুরায় ১ ইলিশের দাম ১৫ হাজার টাকা।

ভুয়া কমিটি, জাল স্বাক্ষরে নিয়োগ বাণিজ্য! মণিরামপুরে ৪২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিনিধির নাম
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৩৫৮

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভুয়া পরিচালনা কমিটি গঠন, প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করে তিন কর্মচারী নিয়োগ এবং নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে ৪২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও জালালপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ মুনছুরুর রহমান যশোরের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি প্রাথমিকভাবে গ্রহণ করে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবা শারমিন অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার আসামিরা হলেন জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমানত আলী, বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র সরকার এবং বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক পবিত্র কুমার দত্ত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির মেয়াদ ২০২১ সালে শেষ হওয়ার পরও নিয়মবহির্ভূতভাবে একটি ভুয়া কমিটি গঠন করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসহ পরিচালনা কমিটির অন্যান্য সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করে অফিস সহায়ক, আয়া ও নিরাপত্তাকর্মী পদে তিনজনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ওই তিনটি নিয়োগের বিপরীতে অভিযুক্তরা মোট ৪২ লাখ টাকা গ্রহণ করে আত্মসাৎ করেছেন। যদিও নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এখন পর্যন্ত বিদ্যালয়ে যোগদান করেননি এবং তাদের নামে কোনো বেতনও উত্তোলন হয়নি।
বাদী মোহাম্মদ মুনছুরুর রহমান জানান, চলতি বছরের ৮ জুন অভিযোগের বিষয়টি জানতে পেরে তিনি বিদ্যালয়ের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করেন। কিন্তু অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো ‘পারলে যা করার করে নিন’ বলে চলে যান। পরে সমঝোতার সব চেষ্টা ব্যর্থ হলে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. আমানত আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অসুস্থতার কথা বলে মন্তব্য না করে ফোন কেটে দেন

Facebook Comments Box

Newsletter

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০১:৫৩:২৬ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ২৯০ বার পড়া হয়েছে
Logo
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজরসময়
জোহরসময়
আসরসময়
মাগরিবসময়
ইশাসময়
সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

ভুয়া কমিটি, জাল স্বাক্ষরে নিয়োগ বাণিজ্য! মণিরামপুরে ৪২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ০১:৫৩:২৬ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
৩৫৮

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভুয়া পরিচালনা কমিটি গঠন, প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করে তিন কর্মচারী নিয়োগ এবং নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে ৪২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও জালালপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ মুনছুরুর রহমান যশোরের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি প্রাথমিকভাবে গ্রহণ করে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবা শারমিন অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার আসামিরা হলেন জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমানত আলী, বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র সরকার এবং বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক পবিত্র কুমার দত্ত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির মেয়াদ ২০২১ সালে শেষ হওয়ার পরও নিয়মবহির্ভূতভাবে একটি ভুয়া কমিটি গঠন করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসহ পরিচালনা কমিটির অন্যান্য সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করে অফিস সহায়ক, আয়া ও নিরাপত্তাকর্মী পদে তিনজনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ওই তিনটি নিয়োগের বিপরীতে অভিযুক্তরা মোট ৪২ লাখ টাকা গ্রহণ করে আত্মসাৎ করেছেন। যদিও নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এখন পর্যন্ত বিদ্যালয়ে যোগদান করেননি এবং তাদের নামে কোনো বেতনও উত্তোলন হয়নি।
বাদী মোহাম্মদ মুনছুরুর রহমান জানান, চলতি বছরের ৮ জুন অভিযোগের বিষয়টি জানতে পেরে তিনি বিদ্যালয়ের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করেন। কিন্তু অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো ‘পারলে যা করার করে নিন’ বলে চলে যান। পরে সমঝোতার সব চেষ্টা ব্যর্থ হলে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. আমানত আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অসুস্থতার কথা বলে মন্তব্য না করে ফোন কেটে দেন

Facebook Comments Box