ঢাকা ০১:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
Logo সিরাজগঞ্জে নদীভাঙনের তাণ্ডব: রাতের আঁধারে বিলীন প্রাথমিক বিদ্যালয়, হুমকিতে শতশত বসতবাড়ি Logo তজুমদ্দিনে মুহাম্মদ ভোলা দাখিল মাদ্রাসার মৃত শিক্ষকের ব্যাংক একাউন্ট থেকে ২০ বছর যাবত বেতন তুলছেন সহকারী শিক্ষক Logo কুষ্টিয়ায় পেশাজীবী গাড়িচালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিআরটিএ’র প্রশিক্ষণ Logo গাইবান্ধায় দীর্ঘদিনের জমি বিরোধ মীমাংসা, এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে Logo টাকার বিনিময়ে ভুয়া রিপোর্ট দেন লালমোহন হাসপাতালের পিয়ন মহসিন Logo মিথ্যা মামলা দায়েরের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন Logo প্রেমের টানে মালয়েশিয়া থেকে সিরাজগঞ্জে এনায়েতপুরে তরুণী:এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য Logo মাঠে ফসল বাঁচাতে সারের জন্য কৃষকের হাহাকার। Logo যশোরে এমপি গোলাম রসুলের বাড়িতে হামলা,ভাংচুর সড়ক অবরোধ Logo বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ পাশের বাড়িতে দিয়ে ভাড়া আদায়ের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস শিক্ষা কর্মকর্তার

সিরাজগঞ্জে নদীভাঙনের তাণ্ডব: রাতের আঁধারে বিলীন প্রাথমিক বিদ্যালয়, হুমকিতে শতশত বসতবাড়ি

​চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি।
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৩০

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় যমুনা নদীর তীব্র নদীভাঙন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। গতকাল রাতে উপজেলার জনতা স্কুল সংলগ্ন একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। হঠাৎ শুরু হওয়া এই ভাঙনে মুহূর্তের মধ্যেই ধসে পড়ে বিদ্যালয় ভবনটি, যা স্থানীয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি করেছে।

​ভাঙনের এ তাণ্ডবে শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই নয়, মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী জনতা স্কুল এবং আশপাশের কয়েকটি গ্রামের প্রায় কয়েকশত বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও সরকারি-বেসরকারি নানা স্থাপনা। স্থানীয় অধিবাসীরা এখন চরম আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছেন। যেকোনো মুহূর্তে বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই ইতোমধ্যে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আকুল চেষ্টা চালাচ্ছেন।

​ক্ষতিগ্রস্ত ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, যমুনার এই অংশে দীর্ঘদিন ধরেই ভাঙনের প্রবণতা রয়েছে। স্থায়ী কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছর বর্ষা এলেই এ অঞ্চলের মানুষকে ভিটেমাটি হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে হয়। অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে বালুর বস্তা (জিওব্যাগ) ফেলে সাময়িক প্রতিরোধ তৈরি না করলে এবং স্থায়ী গাইড বাঁধ নির্মাণ না করা হলে পুরো এলাকাটি মানচিত্র থেকে মুছে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

​এ বিষয়ে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জরুরি ভিত্তিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এবং স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। অনতিবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি রক্ষাসহ সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকা বাঁচাতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন চৌহালীবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১১:০৮:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে
    • আপনি কি আমাদের ওয়েবসাইট এর নিয়মিত দর্শক..?

      View Results

      Loading ... Loading ...
  • পুরনো ফলাফল
    Logo
    বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
    ফজরসময়
    জোহরসময়
    আসরসময়
    মাগরিবসময়
    ইশাসময়
    সূর্যোদয় :সময়সূর্যাস্ত :সময়

    সিরাজগঞ্জে নদীভাঙনের তাণ্ডব: রাতের আঁধারে বিলীন প্রাথমিক বিদ্যালয়, হুমকিতে শতশত বসতবাড়ি

    আপডেট সময় : ১১:০৮:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
    ৩০

    সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় যমুনা নদীর তীব্র নদীভাঙন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। গতকাল রাতে উপজেলার জনতা স্কুল সংলগ্ন একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। হঠাৎ শুরু হওয়া এই ভাঙনে মুহূর্তের মধ্যেই ধসে পড়ে বিদ্যালয় ভবনটি, যা স্থানীয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি করেছে।

    ​ভাঙনের এ তাণ্ডবে শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই নয়, মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী জনতা স্কুল এবং আশপাশের কয়েকটি গ্রামের প্রায় কয়েকশত বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও সরকারি-বেসরকারি নানা স্থাপনা। স্থানীয় অধিবাসীরা এখন চরম আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছেন। যেকোনো মুহূর্তে বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই ইতোমধ্যে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আকুল চেষ্টা চালাচ্ছেন।

    ​ক্ষতিগ্রস্ত ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, যমুনার এই অংশে দীর্ঘদিন ধরেই ভাঙনের প্রবণতা রয়েছে। স্থায়ী কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছর বর্ষা এলেই এ অঞ্চলের মানুষকে ভিটেমাটি হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে হয়। অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে বালুর বস্তা (জিওব্যাগ) ফেলে সাময়িক প্রতিরোধ তৈরি না করলে এবং স্থায়ী গাইড বাঁধ নির্মাণ না করা হলে পুরো এলাকাটি মানচিত্র থেকে মুছে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    ​এ বিষয়ে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জরুরি ভিত্তিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এবং স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। অনতিবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি রক্ষাসহ সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকা বাঁচাতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন চৌহালীবাসী।